মিজাসা

ওহে মিজাসা,দেখিনি তখন কোনো রুপ-রঙ তোমারশুনিনি তখন কোনো কন্ঠস্বর তোমার,কখনো ভেবে দেখিনি দেখিতে তোমায়কখনো ব্যক্ত করিনি তোমায় পাওয়ার ব্যকুলতা কে!তবু,তুমি শুনে গেলে,শুনতে পেলেমনোভ্যান্তরে ব্যথিত দেহটার নিরবতামজে গিয়েছো অর্ন্ত-আত্মাটার বিগলিত বাণীতে! ওহে মিজাসা,বুঝেছি যখন,পেয়েছি তোমারে ঐ এক হতেবিশ্বাস করো-আমি হেসেছি-কেদেছিযে হাসি কান্না ছড়িয়েছে আমার মুখে অনেক বিকেল পর!দিবারাত্রী ভেবেছি তোমায় নিয়ে,শুধু Read more…

দিনশেষে

কি এক বিতিকিচ্ছিরি অবস্থা!হরহামেশাই ঘটছে ইস্যু তৈরির নিত্য নতুন ফন্দী রটনাআর এতেকারো পৌষ মাস নয়ত সর্বনাশ। শিরোনামে শুধু অপসংস্কৃতিআর এর প্রভাব?সেই খবরেরই পাতা খুলে দেখো, দেখবেদুর্নীতি,ধর্ষণ,পরকীয়া,খুন-রাহাজানি,ভালগারিটিএসবেই ভরে আছে সময়ের নির্জীব কাগজের পাতাটা! নিত্যই তুমি যে পড়ছ প্রতিটি দৈনিক এ‘১৪টাকার জন্য বন্ধুকে খুন,ব্যাংক হতে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ,রডের বদলে বাঁশ দিয়ে Read more…

শেষ কবিতা

যদি হঠাৎ করেই হারিয়ে যায় কাব্যিককোনো অনির্ণেয় গোধুলিতে,তবে নেইতো দরকার তাকে তাড়া করে খোঁজবারশৈল্পিক সে যে কাঠের বাক্সে নিখোঁজ হয়েছে! যদি হঠাৎ করে ছেড়ে দেন কালি ক্ষয় করা কাব্য-কথাতবে কি ‘শিরোনাম’,‘অদৃশ্য অস্তিত্ব’,‘দেবী-ধর্ষণ’, ‘মুক্তি’এই তার কাব্যিকতা এর অনন্ত শেষ যাত্রা?নাকি ফিরে আসবেন পরিবর্তিত এক অন্য কাগজে! তব বলে দাওনা মনের কোঠরে Read more…

বিবৃত গুণন

ওহেচন্দ্রালোক বেজায় ক্ষীণ তোমারো রুপ এবিবৃত এক অস্তিত্বহীন মানবীর মাঝে,তবুও-নিবিড় আপনে তোমারো স্পর্শ পাইয়ামাতাল হওয়া হাওয়ায় ভাসিয়া ভাসিয়াআমি তোমারেই চাই বারংবার। শত-সহস্র রজনী পার করিতে উদ্যততোমারো হাতে হাত রাখিয়া শুধুপাইবো নাতো তোমারে,যেন বিস্মৃতির আদলে ভাসিয়া বলিবশুধু তোমারেই ভাসিয়াছি ভালো! ওহেকত আপন ভুবনের মাঝের অস্তিত্বে বিলীন রইয়াছেস্বার্থ বিনে সুতোরে টানে পড়িয়া Read more…

বিভ্রমে-কল্পনা

কুয়াশা ঢাকা শহর জুড়ে আজ বিচ্ছেদের খেলাকেউ হারানোর বেদনায়কেউ হারিয়ে যাওয়ার বেদনায়সবখানে শুধু নিস্তব্ধতা আর বিচ্ছেদে ভরা। তবু সেই নিস্তব্ধতায় খুঁজে পেয়েছি এক কোমল হাতছুঁয়া যায়? বিশ্বাস করা যায়?হয়ত অন্ধভাবে না,তবুও করা যায়। কোমল হাত টুকু ধরে হেটে চলেছি কিন্তুহঠাৎ ফিরে এলাম বাস্তবতায়,পাশে কিছুই নেইনেই কোনো হাত!শুধু অন্ধকার আর অন্ধকারদূর Read more…

মুক্তি

আমার লাশটা পাওয়ার পর টাঙিয়ে দিও গোল চত্বরেআর বলে দিওসালা বেঈমান, সহ্য করতে পারে না! বলে দিও তোমাদের অভিযোগ আর ভাবনাশত কষ্ট সহ্য করা দেহটার পাশেআমি নাহয় চুপ থেকেই শুনে যাবো! ঝুলন্ত দেহটার পাশে এসে ছুড়ে দিও থুথু আর মাটিআর বলে দিও,সালা কাপুরুষপারলে কয়েকটা মুখরোচক গালিও দিয়ে দিওশুধু দেহ অন্তরের Read more…

শেষ বিকেল

শেষ বিকেলের এক পশলা রোদের মাঝেঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকা আমিনির্বিকার ভাবে তাকিয়ে আছিপিছঢালা পথের দিকে মুখ করে তাকিয়েতুমি আসবে বলে। কখনো না দেখা তোমায় চিনব কেমন করেতা ভাবতে ভাবতেই চোখ আটকে গেলো পথ সম্মুখে! সোনালি পাড়ের সাদা শাড়ি পড়াকানে কাঁচের ঝুমকো,নাকে নথ,হাতে চুড়ি,পায়ে নুপুরকোকড়াকেশি এক রমণী এগিয়ে আসছে পথ ধরে! মনে Read more…

উপাধি আমার ব্যর্থ প্রেমিক

কোনো এক জোৎস্না রাতে তুমি বলেছিলে আমায়চলো না হারিয়ে যায় দূরে কোথাও গিয়েএকলা ভাবে প্রকৃতিটাকে উপভোগ করতে। বলেছিলে পিঠে পিঠ রেখে তাকিয়ে থাকব আকাশেভেবে বলব তারাভরা আকাশটাকে পাওয়ার নিমিত্তেচলো দৃষ্টিটা ভাসিয়ে দেই মহাকাশ থেকে বহু দুরত্বে! বলেছিলে ফুলের পাপড়ির ন্যায় ঠোট নাড়িয়েজীবনসঙ্গী হতে রাজি আছো কি?সহসা তোমার হাত ধরে বলেছিলাম Read more…

অদৃশ্য অস্তিত্ব

কখনো কী ভেবেছ একলা আমায় নিয়েচাঁদনী রাতে জানালার পাশে পাশে বসেকিংবা ব্যস্ততার মাঝে ঠুনকো সময়ে! কখনো কি ভেবেছ এই অজ মানুষটাকে নিয়ে? ভাবো নি,সময় হয়ে উঠেনি?তবুও কি রেখেছিলে আমায় মনে?হয়তো তোমার অস্তিত্বে ছিলামই না আমি। থাকব না একদিন,বলব না কবিতা,লিখব না মনের কথাকরবেটা কি তখন?মনে পড়বে কি আমায়! আজ হাজার Read more…

দেবী-ধর্ষণ

কী নামটা শুনে ভ্যাবাচ্যাকা খেলেতো! জানতাম, তুমিতো বাংলার কাঙালী, তোমার ভেতরতো এইটা করার সামর্থ্য আছে। আছে না? বোধহয় বাঙালীর নেই! তবে তোমার মতো কিছু কাঙালী-কাপুরুষ এর আছে! যারা দিনে দুপুরে দেবীদের চোখ দিয়ে গিলে খায়, রাতে কিংবা নির্জন জায়গায় দেবীদের ধরে স্বার্থ হাসিল কর! কী লাভ তোমার? সাময়িক সুখের জন্য Read more…